Workspace Login
Login with your opticobd.com username/email and password. Alternatively, click Ops Portal from the WordPress admin bar for one-click access.
Login with your opticobd.com username/email and password. Alternatively, click Ops Portal from the WordPress admin bar for one-click access.
ওয়ার্ডপ্রেস বা কমার্সে লগইন না করেই এজ সার্ভার থেকে কয়েক মিলিসেকেন্ডে নতুন অর্ডার ক্রিয়েট করতে পারেন। কাস্টমারের আগের মোবাইল নাম্বার দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার হিস্টোরি ও ডেলিভারি সাকসেস রেশিও চলে আসে। অর্ডার সিলেক্ট করে উপরে থাকা A4 Print, Download PDF, 80mm POS Receipt ও 3×3 Sticker সরাসরি ১-ক্লিকে প্রিন্ট করা যায়।
হেডার বা ড্যাশবোর্ডে কাস্টমারের ফোন নাম্বার বা অর্ডার নাম্বার লিখে সার্চ দিলে মুহূর্তের মধ্যেই তার সব আগের অর্ডার, কুরিয়ার ডেলিভারি রেশিও, বকেয়া এবং প্রেসক্রিপশন লিঙ্ক এক স্ক্রিনে চলে আসে। এখান থেকেই সরাসরি WhatsApp পাঠানো যায় অথবা "এই কাস্টমারের জন্য নতুন অর্ডার" বাটনে চাপ দিলে নাম-ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্ডার ডেস্কে কপি হয়ে যায়।
প্রতিটি অর্ডারের ফ্রেম কেনা দাম, লেন্স প্রস্তুতকারক ল্যাব, লেন্সের কস্ট, ফিটিং চার্জ, বক্স-প্যাকিং এবং কুরিয়ার চার্জ এক্সেলে হিসাবের মতো সরাসরি এডিট করা যায়। বিকাশ/ব্যাংক এডভান্স এবং পাঠাও থেকে ঠিক কত টাকা একচুয়াল কালেক্ট হয়েছে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে শর্টফল ডিসকাউন্ট ও আসল নীট লাভ বের করে।
কাস্টমারের লেখা সাধারণ বাংলা বা ইংরেজি ঠিকানা থেকে গুগল জেমিনি এআই ও দেশি লোকাল ডিকশনারি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক থানা/জোন সিলেক্ট করে। ঠিকানা অস্পষ্ট থাকলে সতর্কবার্তা দেয়। জোন সিলেক্ট করা হলে "Dispatch Selected"-এ চাপ দিলেই পাঠাও পার্সেল তৈরি হয়ে কনসাইনমেন্ট আইডি চলে আসে।
অর্ডার থেকে আসা টাকাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক, বিকাশ বা পাঠাও ওয়ালেটে জমা হয়। স্টাফরা খরচ এন্ট্রি দিলে নির্ধারিত লিমিট (যেমন ৫০০৳)-এর উপরের খরচ অ্যাডমিনের অনুমোদনের জন্য পেন্ডিং থাকে। এছাড়া সাপ্লায়ারদের বকেয়া খাতা ও পার্টনারদের ইক্যুইটি শেয়ার রিয়েলটাইমে দেখা যায়।